ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
Deleted
প্রকাশ : Dec 20, 2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

গনতন্ত্র রক্ষায় ত্বত্তাবধায়ক, পুনর্বহালের রায় ইতিবাচক

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে গত ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্ট। আজ (৮ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এই ১৩৯ পৃষ্ঠার রায় প্রকাশ করা হয়।

গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল।

এই বিষয়ে করা দুটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল হচ্ছে, কারণ এটি গোটা জাতির ইচ্ছা।'

২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনগুলো বিতর্কিত বলে সমালোচিত হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় আসেন। বিরোধী দলগুলো এই নির্বাচন বর্জন করে এবং শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের আওতায় আসে।

গত বছরের ৫ ডিসেম্বর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ শুনানি শেষে রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন।

গত বছরের ১৮ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তি পঞ্চদশ সংশোধনী আইন চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন।

১৯ আগস্ট হাইকোর্ট এই রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে সরকারকে জানাতে বলেন কেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলকে অবৈধ ঘোষণা করা হবে না।

এরপর ৩০ অক্টোবর, ৬, ৭, ১০, ১৩, ১৪, ২০, ২৫, ২৭ ও ২৮ নভেম্বর এবং ১ ডিসেম্বরসহ বিভিন্ন দিনে এই বিষয়ে বিস্তারিত শুনানি হয়।

এছাড়াও, গত বছরের ২৯ অক্টোবর মুক্তিযোদ্ধা ও নওগাঁর রাণীনগরের মোফাজ্জল হোসেন ১৫তম সংশোধনীর ১৭টি ধারা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট করেন।

সেই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাই কোর্ট একটি পৃথক রুল জারি করে জানতে চায় কেন ওই ধারা/বিধানগুলো সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না। এই রুলের ওপর শুনানি হয় ৪ ডিসেম্বর।

এ বিষয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল এবং সুপ্রিম কোর্টের কিছু আইনজীবীও আদালতে পঞ্চদশ সংশোধনীর বিরোধিতা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী ২০১১ সালের ৩০ জুন সংসদে পাস হয় এবং ৩ জুলাই গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয় এবং সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০টি করা হয়।

এছাড়া, অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ হিসেবে গণ্য করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখা হয়।

শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়, ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয় এবং জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।

এছাড়া, সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচনের সময়সীমাও পরিবর্তন করা হয়—সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান যুক্ত করা হয়, যেখানে আগে মেয়াদ শেষের পর ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা ছিল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকে ঢুকলে দেখা যাচ্ছে নতুন বার্তা

1

‘আমি ভয়ও পাচ্ছি, কারণ ইসরায়েলিদের বিশ্বাস করি না’

2

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কোন পথে?

3

মাগুরায় হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ, জরিমানা

4

Finance Talk Episode 01

5

নয়াদিল্লিতে ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে অজিত দোভালের বৈঠক অনুষ্ঠ

6

খরচ কমাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

7

বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার

8

বদলে যাওয়া ক্যাম্পাস

9

এআইইউবিতে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত

10

কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১ জনের, আহত ৪

11

অভিবাসন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ওইপি’র

12

জিয়া বিএনপির নেতৃত্বে তারেক

13

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালতের রায় আগামীকাল

14

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরত পাঠানো সহজ করতে জাতীয় কমিটির

15

জিয়া বিএনপির নেতৃত্বে তারেক

16

৪৮ রানে ৭ উইকেট হারাল পাকিস্তান, ওয়ারিকানের স্পিন–ঘূর্ণি

17

ভারতের সঙ্গে কথা হবে চোখে চোখ রেখে

18

প্রবীর মিত্রের শেষ দিনগুলো যেমন ছিল

19

নয়াদিল্লিতে ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে অজিত দোভালের বৈঠক অনুষ্ঠ

20